যে সমস্ত টিপসগুলো ফেসবুক মার্কেটারদের জন্য অনেক বেশী গুরুত্বপূর্ণ

facebook-strategies-best-way

বাংলাদেশে বর্তমানে ফেসবুক মার্কেটিং একটি পরিচিত নাম বললেই চলে। আর এই ফেসবুক মার্কেটিং নিয়ে প্রতিদিন অনেকেরই রয়েছে অনেক আকার উকার ছাড়া দুনিয়ার যতসব প্রশ্ন। যেহেতু আমি ব্যক্তিগতভাবে ফেসবুক নিয়ে কাজ করছি গত ৩ বছর যাবত নতুবা আরো কিছু বেশীদিন হবে হয়তো। সেকারণেই প্রিয় বন্ধুদের কাছ থেকে শুনতে হয় এ নিয়ে নানা প্রশ্ন, উত্তর দিতে হয় আরো কত কিছু, মাঝে মাঝে উত্তর না পেয়ে অনেকেই পিছনে দিয়েছেন কত না গালি। যায় হউক আমি আজকে চেস্টা করবো ফেসবুক মার্কেটিং নিয়ে বেশ কিছু পজিটিভ টার্ন আউট নিয়ে আলোচনা করতে যা আপনাকে আপনার ফেসবুক ফলোয়ার, ফ্যান সবাইকে নজর কারতে পারবে সেইসব জনপ্রিয় দিক।

দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা থেকে আমি যা খুঁজে পেয়েছি ফেসবুক মার্কেটিং এবং ডিগিটাল মার্কেটিং নিয়ে, যা অনেকেরই হয়তো নজর কাড়বে বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস। আর তাই আমার আলোকেই সেবসব দিক নিয়ে তুলে ধরতে চাই, দিতে চাই ফেসবুকের মাধ্যমে সফল হওয়ার কিছু কার্যকারী টিপসঃ কথা বারিয়ে লাভ নেই আসা যাক আসল কথায়।

একটি বেসলাইন থেকে শুরু হতে পারে ফেসবুক মার্কেটিং

facebook-marketing-exclusive

ফেসবুক মার্কেটিং করার আগে আপনাকে অবশ্যই একটি ভালো ফেসবুক মার্কেটিং প্ল্যান দিয়ে কাজ শুরু করতে হবে তারপর আসবে মার্কেটিং, কারন এখানেই আপনাদের যাবতীয় সমস্যা পেয়েছি আমার দেখা মতে। তাই একটি সুনির্দিষ্ট ফেসবুকে মার্কেটিং হতে পারে আপনার প্রথম লক্ষ্য। ফেসবুক মার্কেটিং প্ল্যান করার সময় যে বিষয়গুলো মাথায় রাখবেন।

১। কি নিয়ে মার্কেটিং করতে যাচ্ছেন?

২। কিভাবে মার্কেটিং করবেন?

৩। কাদের জন্য মার্কেটিং করবেন?

৪। কতদিনের জন্য মার্কেটিং করবেন?

৫। আপনার নুন্যতম মার্কেটিং বাজেট কত?

৬। আপনার প্ল্যান কি সপ্তাহিক নাকি মাসিক? মনে রাখবেন দুটি প্ল্যানের দুই ধরণের বাজেট অবশ্যই মাথায় রাখবেন।

ফেসবুক মার্কেটিং এর প্রথম ধাম যা আমি ব্যক্তিগতভাবে পর্যবেক্ষণ করে থাকিঃ

১। পেইজের Average পোস্ট Reach।

২। পেইজের Average পোস্ট Click ।

৩। পেইজের Average পোস্ট Comments ।

৪। পেইজের Average পোস্ট Likes

৫। পেইজের Average পোস্ট Shares and Re-shares ।

যেভাবে আমি ফেসবুক মার্কেটিং এর সময় TestOut করি

আমি চেস্টা করি সবসময় ভালো একটি রেজাল্ট পাওয়ার জন্য, চেস্টা করি অপ্ল টাকায় ভালো একটা আউটপুট এবং অল্প সময়ের মধ্যে ভালো একটি টার্গেটেড রেজাল্ট। আর সেইভাবে আমার কাজ এবং কাজের পর্যালোচনা। চলুন তাহলে দেখে নেয় আমি কিভাবে ফেসবুক মার্কেটিং এর সময় TestOut করি।

১। ফেসবুকে চেস্টা করি অফ-পিক এবং পিক Hour এ এবং দুটি দিয়ে একটি Compare Chart তৈরি করতে।

২। ফেসবুকে মার্কেটিং চলাকালীন চেস্টা করি ধারাবাহিকভাবে পোস্ট করতে, বিশেষ করে মার্কেটিং করা রিলেটেড প্রোডাক্ট পোস্ট। ৫-৬ টি পোস্ট এক দিনে। যা হতে পারে

PEAK HOUR

  • সকাল ৭:০০
  • সকাল ৯:০০
  • সকাল ১১:০০
  • দুপুর ১:০০
  • বিকাল ৩:০০
  • বিকাল ৫:০০

OFF PEAK HOUR

  • সন্ধ্যা ৭:০০
  • রাত ৯:০০

৩। ফেসবুকে মার্কেটিং চলাকালীন মাঝে মাঝে ধারবাহিকভাবে না গিয়ে একটি মাত্র পোস্ট দিয়ে দেখি রেজাল্ট কি আসে।

৪। রেজাল্ট ভালো মন্দ Compare করার জন্য যা করি, ভিবিন্ন ধরণের পোস্ট আপডেট, লিংক আপডেট, ইনফো-গ্রাফিক্স আপডেট ইত্যাদি দিয়ে চেস্টা করি ভালো আউটপুট বের করার।

৫। আমি ঘুমিয়ে মার্কেটিং করি না, এ্যাড চালিয়ে কোথাও হাওয়া হয়ে উড়ে বেড়ায় না। চেস্টা করি এ্যাডস এর প্রতি ঘণ্টার আপডেট নিতে।

যারা বাংলাদেশে মার্কেটিং করেন তাদের জন্য একটি ছোট মেসেজ দিতে চাইঃ বাংলাদেশে আমার দেখা মতে  সন্ধ্যা৭:০০ থেকে রাত ১১ঃ৩০ পর্যন্ত বেশী রেসপন্স পাওয়া যায়।

হ্যাঁ এটা সত্য যে আমার এই লেখার সাথে অনেকেই দ্বিমত করবেন কিংবা একমত এবং আমার এই Tactics এবং Result আসলেই অনেক কিছুর উপর নির্ভর করতে পারে, Targeted Audience, Relationship, Engagement, Infographics, Content etc.

আশাকরি উপরের লেখাগুলো আপনাদের কাজে লাগবে কিংবা আজ থেকে হয়তো আপনিও আপনার ফেসবুকে মার্কেটিং এর জন্য চেস্টা করবেন কিভাবে ভালো আউটপুট পাওয়া যায়, এবং কিভাবে করলে একটি প্রয়োজনীয় সাফল্য অর্জন করা সম্ভব।

আরো পোস্ট দেখুন

comments