নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য ১০ টি পরামর্শ দিয়েছেন – রজার হ্যারপ

পৃতিবীতে যত বিখ্যাত ব্যক্তি জন্মগ্রহন করেছেন তার মধ্যে রজার হ্যারপ একজন। তার জন্ম যুক্তরাষ্ট্রে। তিনি একজন বক্তা ও বিখ্যাত লেখক হিসেবে বিশ্বব্যাপি খ্যাতি অর্জন করেছেন।

তিনি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করেছেন। তিনি এখন আর পরের অধীনে চাকরি করেন না। তিনি এখন দুনিয়া জুড়ে ছোট বড় বিভিন্ন প্রতিস্ঠানের পরামর্শক হিসেবে কাজ করেন। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বিপদ বা লোকসান থেকে বাচানোর জন্য পরামর্শ দিয়ে থাকেন। তিনি সব প্রতিষ্ঠানে সব সমস্যাকে একটু অন্যভাবে পর্যবেক্ষণ করে সমাধান দেন।

Roger Harrop

তিনি নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য ১০ টি নতুন পরামর্শ দিয়েছেন যা কিনা একজন নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য খুবই গুরুপ্তপূর্ন……

১। তার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ হলো আগে নিজের দুর্বলতা খুজে বের করা।

কারণ মানুষ নিজের ভালো দিকটা জানে কিন্তু মন্দ দিকটা সহজে জানে না। তাই তার মতে, নিজের সাথে এমন একজনকে রাখা উচিত যাতে আপনার সব ভালো মন্দ দুধরনের দিকনির্দেশনা দিতে পারেন।
২। নিজের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য স্থির করতে হবে, তুমি কি করবে? কিভাবে কাজ করবে ইত্যাদি স্পষ্টভাবে ধারণা থাকতে হবে।
৩। নিজের উপর সম্পুর্ন আত্মবিশ্বাস রাখতে হবে এবং নিজের কাজের উপর আস্থা রাখতে হবে। তোমার যদি নিজের কাজের উপর নিজের আস্থা না থাকে তাহলে তোমার সহকর্মীরাও তোমার উপর আস্থা হারিয়ে ফেলবে। তাই নিজের উপর আত্মবিশ্বাস রাখাটা খুবই জরুরী।

৪। সাফল্যর জন্য তিনটা জিনিস খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সেগুলো হচ্ছে আত্মবিশ্বাস, নিজের কাজের প্রতি ভালোবাসা এবং সৎ সাহস। এই তিনটা জিনিসই তোমাকে তোমার সাফল্যর উচ্চ শিখরে নিয়ে যাবে।
৫। সৎ সাহস ছাড়া কোন উদ্যোগ নেয়া উচিত নই। কারণ ভালো কিছু কাজ করার জন্য, কিছু বড় ধরনের ঝুঁকি নিতে হবে এবং ঐ ঝুঁকি নেয়ার সাহস থাকতে হবে, না হলে জীবনকে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়। পৃথিবীতে যত সফল ব্যক্তি রয়েছেন তারা প্রত্যকেই ঝুঁকি নিয়ে তাদের দিগন্তের যাত্রা শুরু করেছিলেন।

৬। কথায় আছে ব্যাবহারে বংশের পরিচয়। তাই ভালো কাজ করতে হলে, সকল মানুষের সাথে মার্জিত আচরণ করতে হবে। কোন অবস্থাতে কারো সাথে খারাপ

আচরণ করা যাবে না।

৭। ব্যবসার ক্ষেত্রে ভালো করতে হলে সবসময় একটা জিনিস মাথায় রাখতে হবে তা হলো তোমার কাজের জন্য সবসময় একটি বিকল্প পরিকল্পনা তোমার মাথায় থাকতে হবে। মারফির মতে,‘যদি কোনো কাজে কোনো ভুল ধরা পড়ে, তাহলে বিকল্প রাস্তা অনুসরণ করো’।
৮। সবসময় ইতিবাচক চিন্তা করতে হবে। নিজের চিন্তা ভাবনাকে জটিল করা উচিত নয়। ভালো কাজের জন্য যদি আশেপাশের কেউ নেতিবাচক কথা বললে সেই কথা না শুনাই বুদ্ধিমানের কাজ।

৯। শক্তি দিয়ে কিছু করা যায় না বরং বুদ্ধি খাতিয়ে কাজ করলে কাজের চাপও কিছুটা কমে যায়। শুধুমাত্র সারাদিন কাজ করলে ভালো সুফল পাওয়া যায় না বরং বুদ্ধি খাতিয়ে কাজ করলে ভালো সুফল পাওয়া যায়।
১০। তার সর্বশেষ উপদেশ হলো জীবনে যাই হোক না কেন কাজের ফাঁকে নিজের আনন্দটাকে খুঁজে বের করে জীবনেক উপভোগ করা। যা কিনা আপনাকে সাফল্যর উচ্চ শিখরে পোঁছাতে সাহায্য করবে।

আশাকরি আপনাদের এই আর্টিকেলটি অনেকবেশী অনুপ্রাণিত করবে এবং সেই অনুপ্রেরণায় আপনাদের জীবনকে উচ্চ মাত্রায় যোগ, উচ্চ শিখরে পৌঁছাতে সহায়ক হবে।

আরো পোস্ট দেখুন

comments