ভালো কাজ শিখেও কাজ পাচ্ছেন না? পড়ে দেখেন,কাজে লাগবে।

দেশের খারাপ পরিস্থিতি আর আউটসোরসিং এর জয়গান শুনে এখন অনেকেই অনলাইন এ কাজ করার জন্যে এইপথে পা বারিয়েছেন।

তাদের মধ্যে অনেকেই কাজ শিখে কাজ না পেয়ে হতাশায় ডুবছেন।ফলে কিছুদিন বিভিন্ন মার্কেটপ্লেস গুঁতোগুঁতি করে পরিশেষে হাল ছেড়ে দিচ্ছেন।

তবে একটা সত্যি কথা হচ্ছে আপনি ভাল কাজ পারলে কোন না কোন একদিন উপরে উঠতে পারবেনই।তবে মারকেটপ্লেসগুলোতে প্রথম সময়ে কাজ পেতে গেলে অনেক মাথা খাটাতে হয়,পরিশ্রম করতে হয়।

অনেকেই পরিশ্রম বলতে শুধু চোখ বুজে বিড করাকেই মনে করেন।তবে বিড করার পূর্বে কিছু বিষয় ঠিক রেখে বিড করলে কাজ পাওয়া খুব কঠিন মনে হবেনা।

প্রথমত আপনার প্রফাইল এ যেহেতু কোন রেটিং বা ফিডব্যাক নেই,সেহেতু এমন কিছু থাকতে হবে যেটা দেখে ক্লায়েন্ট আপনাকে পছন্দ করবে।

আপনি জব রিলেটেড কিছু স্কিল টেস্ট দিতে পারেন অথবা এমন কিছু পোর্টফলি যুক্ত করলেন যেটা দেখে যে কারো শুধু চোখ না মন ও কাড়বে।

টাইটেল,ওভারভিউ ইত্যাদি সাজিয়ে লিখবেন।খেয়াল রাখবেন যাতে কোন ভুল না হয়।চেষ্টা করবেন হাসিযুক্ত একটি ছবি যুক্ত করতে।

যেভাবে বিড করবেনঃ

১)ধরুন আপনি ওয়ার্ডপ্রেস ডেভেলপমেন্ট এর কাজ পারেন।আপনি চাইলেও এই ক্যাটাগরির সব জবে বিড করতে পারবেন না।

কারন প্রত্যেকটা কাজের ধরন ভিন্ন।বিড করার আগে আপনাকে দেখতে হবে কাজটা আপনি পারবেন কিনা।যদি না পারেন,

তাহলে দেখবেন এই জব টাতে ক্লায়েন্ট কি চাইছে?কোন কোন জিনিসগুলো আপনি পারেন না?সেগুলো গুগল এ সার্চ দিয়ে,যেকোনো ভাবে জেনে নিবেন।

এভাবে করতে পারলে আপানার স্কিল আপডেট হতে থাকবে।আপনি কাজ গুলো সম্পর্কে ভালো ধারনা নিতে পারবেন,অনেক জবেই বিড করতে পারবেন।

২)রাত ৩টা থেকে সকাল ৭টা এই সময়ে বিড করলে দ্রুত হায়ারড হওয়ার সম্ভবনা থাকে।

৩)নতুন হিসেবে,যে জব গুলো ১৫মিনিট এর মাঝে পোষ্ট হয়েছে,২০ জনের বেশী বিড করেনি,আপনি কাজটা ভালোভাবে পারেন,সেগুলোতে বিড করা এবং নতুন সময়ে একটু বেশী সময় দেয়া উচিত।

৪)কভার লেটারে আপনি কিভাবে কাজ টা করবেন,কত সময় লাগবে,এই কাজটার ব্যাপারে কোন অভিজ্ঞতা বা সিমিলার কোন স্যাম্পল থাকলে সেটা দেখাবেন।এজন্য আগেই

জব পোষ্ট গুলো পড়ে ধারনা নিবেন ক্লায়েন্ট রা কোন ধরনের কাজ বেশী চায়,সে হিসেবে স্যাম্পল তৈরি করে রাখবেন।কভার লেটারে যদি বুঝাতে পারেন আপনি কিভাবে কাজটা করবেন,

তাহলে ডিরেক্ট হায়ারড হওয়ার সম্ভবনা অনেক বেশী। আপনি কি পারেন না পারেন,কত বছর ধরে কাজ করছেন এগুলো লিখা জরুরী না।

৫)ক্লায়েন্ট এর একাউন্ট ভেরিফাইড কিনা,এ পর্যন্ত কত পেইড করেছে এবং কতগুলো জব পোষ্ট করেছে,কয়জনকে হায়ার করেছে এগুলো দেখে নিবেন।যদি দেখেন টোটাল পেইড করেছে ১৫০$ এবং টোটাল হায়ার করেছে ২০!

মানে পেইড এর তুলনায় হায়ারড বেশী,তাহলে বিড না করাই অধিক উত্তম।

৬)ক্লায়েন্ট ম্যাসেজ দিলে দ্রুত রিপ্লায় দেয়ার চেষ্টা করবেন।

৭)নতুন হিসেবে আওয়ারলি জব গুলো নেয়ার চেষ্টা করবেন।এটা আপনার প্রোফাইল এর স্বাস্থ্যের জন্যে ভালো,পেমেন্ট নিয়েও ভয় থাকবেনা।

উপরের কথা গুলো সঠিকভাবে ফলো করলে অবশ্যই জব পাবেন।

ধন্যবাদ সবাইকে :)

আরো পোস্ট দেখুন

comments