কেন আপনি আইফোন ৬ ব্যবহার করবেন?

বরাবরের মত এবারও আইফোন ৬  Apple এর অন্যরকম একটি স্মার্টফোন নিয়ে আসলো। চোখ ধাকালো এমন একটি স্মার্টফোন দেখলেই মন চাইবে এখনই কিনে নিয়ে আছি। অপ্রিয় একটি সত্য শেয়ার না করলেই নয়, এবারের আইফোন ৬ ও আইফোন ৬ প্লাস আকারে বড়, সুন্দর, দ্রুত ব্যবহার যোগ্য ও সবদিক দিয়ে প্রায় অগ্রসর। iPhone 6 and iPhone 6 Plus এ যে সমস্ত উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এনেছে সদ্যঘোষিত এই স্মার্টফোনে।

এখন আইফোন ৬ ও আইফোন ৬ প্লাস আঁকারে বড় এবং যথাক্রমে ৪.৭ ইঞ্চি ও ৫.৫ ইঞ্চি যা আগের আইফোন গুলো ছিল আঁকারে মাত্র ৪ ইঞ্চি করে।

ডিসপ্লে বাদেও ফোনে রয়েছে বিশাল এক অভাবনীয় পরিবর্তন স্টোরেজ ক্যাপাসিটিতে, আগের ফোন গুলোর তুলনায় এই iPhone গুলোতে স্টোরেজ ক্যাপাসিটির পরিমাণ অনেক বেশী। আইফোন ৫ সি ছিল ৮ গিগাবাইট স্টোরেজ, আইফোন আইফোন ৬ ও আইফোন ৬ প্লাস এ পাওয়া যাবে তিনটি ভিন্ন সংস্করণে ১৬ গিগাবাইট,৬৪ গিগাবাইট ও সুবিশাল ১২৮ গিগাবাইট ক্যাপাসিটিতে। স্বভাবতঃই আইফোন ৬ ও আইফোন ৬ প্লাস এর আগের মূল্যর চেয়ে অনেকটা বেশী দামেই কিনতে হবে গ্রাহকদের।

iPhone 6

আইফোন ৬ ও আইফোন ৬ প্লাস এ রয়েছে iOS ৮ অপারেটিং সিস্টেম।

আইফোন ৬ এ আছে এইচ ডি রেটিনা ডিসপ্লে, কিন্তু আগের iPhone 5 এ ছিল শুধুই রেটিনা ডিসপ্লে।

আইফোন ৬ এ একটানা ভিডিও দেখা যাবে ১১ ঘণ্টা  আইফোন ৬ প্লাস এ দেখা যাবে একটানা ১৪ ঘণ্টা, যা আগের iPhone এ ছিল শুধু ১০ ঘণ্টা একটানা ভিডিও দেখার সুযোগ। সেই কারণেই এই বারের আইফোন ৬ ও আইফোন ৬ প্লাস এ ব্যাটারির সাইজও আগের তুলনাই একটু বড়ও বটে।

Apple আইফোন ৬ ও আইফোন ৬ প্লাস এ পরিবর্তন এসেছে ডিভাইসের প্রসেসরেও। আইফোন ৬ ও আইফোন ৬ প্লাস আছে ৬৪ বিট এ৮ প্রসেসর ও এম৮ কো-প্রসেসর। র্বের iPhone 5S ও 5C তে ছিল যথাক্রমে এ৭ ও এ৬ চিপ। আগের iPhone 5S ও 5C  এর মতো আইফোন ৬ এ আছে ৮ মেগা পিক্সেল ক্যামেরা, তবে ৬ প্লাস এ বাড়তি হিসেবে থাকছে অপটিকাল ইমেজ স্ট্যাবিলাইজেশন সুবিধা।

আইফোন ৬ ও আইফোন ৬ প্লাস এ সিমকার্ড, হেডফোন, ইন্টেলিজেন্ট অ্যাসিসট্যান্টের ক্ষেত্রে অ্যাপেল-এর নতুন দুটি ডিভাইসে তেমন কোন পরিবর্তন আসেনি। তবে ওজনের ক্ষেত্রে তফাৎ আছে বেশ। আইফোন ৬ প্লাসের ওজন ১৭২ গ্রাম, ৬ এর ১২৯ গ্রাম এবং ৫ এস এর ছিল ১১২ গ্রাম ও ৫সি এর ছিল ১৩২ গ্রাম।

৪.৭ ইঞ্চি—–আইফোন ৬

৫.৫ ইঞ্চি————আইফোন ৬ প্লাস

আরো পোস্ট দেখুন

comments