যে খাবারগুলো ১০ গুণ বাড়িয়ে দিবে আপনার কাজের গতি

আমাদের বাংলাদেশের বেশীরভাগ মানুষের মধ্য বর্তমানে লক্ষ্য করা যায় শারীরিক সমস্যার মধ্যে অন্যতম কারণ হচ্ছে বেশি কাজের চাপ নিতে না পারা, এবং সেই সাথে একটু অল্পতেই অনেক বেশী ক্লান্ত লাগা, ঠিক ভাবে কাজে মন বসাতে সমস্যা হওয়া, আর বেশীরভাগ সময় কাজে মন বসতে না চাওয়া। আপনি কি জানেন এর আসল রহস্যর কারণ কী? আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি দেহের সঠিক ও সুষ্ঠ খাবারের পর্যাপ্ত অভাব তাই এই ধরণের সমস্যা। আমরা  ঠিকই খাবার খাই কিন্তু সঠিক ও পর্যাপ্ত পরিমাণে আমাদের খাবার খাওয়া হয় না। আর সেই কারণেই শরীরে প্রচণ্ড শক্তির অভাব দেখা দেয়।

পুষ্টি জাতীয় খাবার

আর কতদিন এই ধরণের অসুস্থতার চলাচল ? এভাবে আর না চলে আপনার শরীরকে দিন সবসময় সুষ্ঠ এবং পুষ্টিযুক্ত খাবার। এতে শরীর পর্যাপ্ত কাজের শক্তি বৃদ্ধি পাবে এবং একই সাথে  আপনার কাজের গতি বেড়ে যাবে প্রায় ১০ গুণ এরও বেশি। আর দেরি কেন তাহলে চলুন এখনই দেখে নিই অসাধারণ কিছু পুষ্টিযুক্ত খাবারের একটি তালিকা।

নারিকেলের দুধঃ

Coconut Milk

নারিকেলের দুধে রয়েছে অসম্ভব স্যাচ্যুরেটেড ফ্যাটি এসিড এবং মিডিয়াম চেইন ট্রাইগ্লাইসেরাইড যা আপনার দেহের পর্যাপ্ত শক্তি সরবরাহ করে এবং আমাদের কাজের গতি বাড়িয়ে দেয় খুব সহজে। নারিকেলের দুধের মূল্য অন্যকেহ না বুঝলে কি হবে আজ থেকে আপনি বুঝবেন খুব সহজেই। এবং আপনার কাজের মধ্য ফিরে পাবেন নতুন এক অভাবনীয় গতি।

ডিমঃ

চেষ্টা করবেন অন্তত প্রতিদিন একটি করে হলেও ডিম খাওয়ার। আপনাদের কারো যদি কোলেস্টোরলের সমস্যা থেকে থাকে তাহলে তারা ডিমের কুসুম বাদ দিয়ে প্রতিদিন ডিম খাবেন। ডিমের প্রোটিন, ভিটামিন, মিনারেলস, বায়োটিন এবং ক্লোরিন দেহে পর্যাপ্ত শক্তি সরবরাহের পাশাপাশি আপনার দেহে যোগাবে অভাবনীয় পুষ্টি। সেই সাথে বায়োটিন ও ক্লোরিন মস্তিষ্ককে রাখবে অনেক বেশী আগের তুলনায় সচল। এর মধ্যমে আপনার কর্মক্ষমতা বেড়ে যাবে আরও একটু বেশী।

দুধ ও দুগ্ধজাত খাবারঃ

আপনি যদি নিয়মিতি দুধ এবং দুধের তৈরি নানা খাবার যেমন দই, চীজ, বাটার ইত্যাদি খান তাহলে আপনার দেহের জন্য উপকারী ব্যাকটেরিয়ার জন্ম দেবে ফলে রাখবে আগের তুলনায় অনেক বেশী সুস্থ। আরএইসকল খাবার আপনাকে কনজুগেটেড লিনোলেইক এসিড রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সহায়তা করবে।

হাড়ের ক্যালসিয়াম এবং হাড়ঃ

মুরগী, গরু, খাসির হাড়গুলো সাধারণত আমরা ফেলে দিয়ে থাকি। কিন্তু আপনারা কি জানেন এই হাড় এবং হাড়ের ভেতরকার ক্যালসিয়াম আমাদের দেহের জন্য কতটা কার্যকরী খাবার হিসেবে কাজ করতে পারে? গরু খাসির হাড়ের তৈরি  করা খাবার (যার মধ্য রয়েছে নেহারি) আমাদের দেহের জন্য এই হাড় বেশ উপকারী। এই ধরণের খাবারগুলো আমাদের দেহের ইনফ্লেমেশন, ইনফেকশন দূর করে এবং ইমিউনসিস্টেমকে করে তুলে আরও উন্নত।

খাসির মাংসঃ

খাসির মাংস

খাসির মাংস আমাদের দেহের জন্য প্রাণীজ প্রোটিন এবং আমিষের প্রয়োজনীয়তাকে দূর করে থাকে। আর অন্যদিকে গরুর মাংস উচ্চ মাত্রার কলেস্টোরল সমৃদ্ধ বলে এর পরিবর্তে আমাদের দেহের প্রাণীজ আমিষের অভাব একমাত্র খাসির মাংস পূরণ করতে পারে। খাসির মাংস আমাদেরকে এর পাশাপাশি ভিটামিন ই, বেটা ক্যারোটিন, ভিটামিন সি এবং ওমেগা৩ ফ্যাটি এসিড দেহের অঙ্গপ্রত্যঙ্গের সুরক্ষায় অনেক বেশী কাজ করে থাকে।

আরো পোস্ট দেখুন

comments