ই-কমার্স মার্কেটিং টিপস

“Branoo E-Commerce Writing Competition”

branoo.com বর্তমান সময়ের সেরা ই-কমার্স সাইট গুলোর মধ্যে অন্যতম শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি অনেকদিন ধরে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ব্র্যান্ডের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বাজারজাত করে আসছে। গ্রাহকদের কাছে সুলভ মূল্যে সঠিক এবং গুণগত মানসম্পন্ন পন্য পৌঁছে দেয়াই branoo.com এর একমাত্র লক্ষ্য।

আমার পূর্বের ই-কমার্স বিষয়ক টিউন গুলোতে মার্কেটিংকে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভাবে দেখিয়েছি। আর আজকের পুরো টিউনটাকেই সাজিয়েছি ই-কমার্স মার্কেটিং নিয়ে। যারা ই-কমার্স বিজনেস নতুন শুরু করেছেন অথবা শুরু করার কথা ভাবছেন, আশা করি তাদের জন্য এই টিউনটি বেশ সহায়ক হবে। আজকের এই টিউনের মধ্যে রয়েছে ই-কমার্স বিজনেস শুরুর ক্ষেত্রে কিছু মার্কেটিং পদ্ধতি ও টিপস। তাহলে চলুন কথা না বাড়িয়ে মূল টিউনে চলে যাই।

 

কনটেন্ট মার্কেটিং

2

গুগোল বা অন্যান্য সার্চ ইঞ্জিনকে আপনার ই-কমার্স সাইট খুঁজে পেতে হলে অবশ্যই ইন্টারনেটের সাথে কনটেন্ট গুলোর লিংককিং করা থাকতে হবে। সেই জন্য আপনার সাইটের আর্টিকেল ও কনটেন্ট দিয়ে বিভিন্ন জনপ্রিয় ওয়েবসাইট, ফোরাম ও সোশ্যাল মিডিয়া গুলোতে ব্যাক লিংক তৈরি করতে হবে। শেয়ারিং এর সুবিধার্থে আপনার ই-কমার্স সাইটে শেয়ারিং বাটন চালু রাখুন। সার্চ ইঞ্জিনের ইনডেক্সিং এর জন্য বিভিন্ন সাইট গুলোতে আপনার সাইট সম্পর্কে ৩০০ শব্দের পরিচিতি তুলে ধরুন। ভিজিটরদের আপনার সাইট সহজে খুঁজে পাবার জন্য সব জায়গায় নিদিষ্ট কীওয়ার্ড ব্যবহার করুন।

 

ইমেইল মার্কেটিং

1

আপনার ই-কমার্স সাইটে কাস্টমারদের রেফারেন্সেও আরও কিছু কাস্টমার যুক্ত হবে। আর তার জন্য ইমেইল মার্কেটিং বেশ ইফেক্টিভ ভূমিকা পালন করে। আপনি বিভিন্ন ইমেইল সার্ভিস প্রোভাইডার (যেমনঃ MailChimp বা Constant Contact) ব্যবহার করে এক সাথে বহু সংখ্যক ইমেইল পাঠাতে পারবেন। কাস্টমারদের ফিরিয়ে আনতে এবং নটুন কাস্টমারদের আকৃষ্ট করতে ইমেইলে নতুন পন্য ও ডিস্কাউন্ট সম্পর্কে আকর্ষণীয় ভাবে উপস্থাপন করুন। বিভিন্ন টুলস ( যেমনঃ Yotpo) ব্যবহার করে কাস্টমার রিভিউ গুলো জেনারেট করুন এবং শেয়ার করুন।

 

পে পার ক্লিক বিজ্ঞাপন

4

আপনার ই-কমার্স সাইটে সহজে অধিক ভিজিটর পেতে পারেন অনলাইনের বিজ্ঞাপন দেয়ার মাধ্যমে। আপনার সাইট বা পন্যের সহজ এবং দ্রুত অনলাইন সার্চের জন্য গুগোল অ্যাডওয়ার্ড ব্যবহার করতে পারেন। আপনার সাইট বা পন্য গুলোকে হাইলাইট করার মাধ্যমে পেতে পারেন আরও বেশি ভিজিটর, আর তার জন্য ব্যবহার করুন ফেসবুক বিজ্ঞাপন। প্রতিদিন বিজ্ঞাপন গুলোকে ছোট ছোট বাজেটের মাধ্যমে বুষ্ট করুন। কনভার্শন ট্রাকিং কোড ইন্সটল করুন আপনার কনট্রোল প্যানেলে, ফলে জানতে পারবেন পন্য কোথায় বিক্রি সম্পন্ন হলো এবং তা পুনরাবির্তী করার সুযোগ পাবেন।

 

সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং

3

সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং এর মাধ্যমে ই-কমার্স বিজনেসে পণ্য বিক্রি অনেক বৃদ্ধি করা যায়। আর তার জন্য ফেসবুকে তৈরি করুন বিজনেস পেজ এবং সেখানে নিয়মিত পন্য গুলোর রিভিও ও সুযোগ সুবিধা তুলে ধরুন। টুইটারে রিসোর্স এবং টুইট করার মাধ্যমে আপনার সাইটের জন্য তৈরি করতে পারেন বহু সংখ্যক ফলোয়ার। আপনার ই-কমার্স বিজনেসের পন্য যদি দেখতে আকর্ষণীয় হয় তাহলে ইন্সট্রাগ্রাম এবং পিনটারেস্ট ব্যবহার করে বড় ধরনের কমিউনিটি তৈরি করতে পারেন। আপনার বিজনেসকে প্রোফেশনাল ভাবে আরও গতিময় করতে ব্যবহার করুন লিংকডিন।

 

আজকের মত এই পর্যন্তই। পরবর্তী টিউনে ই-কমার্স সম্পৃক্ত আরও আলোচনা নিয়ে হাজির হবো। সেই পর্যন্ত ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন আর সোর্সটিউনের সাথে থাকুন। আর হ্যাঁ টিউন কেমন হয়েছে জানাতে ভুলবেন না, আপনাদের উৎসাহই আরও ভালো টিউন উপহার দেয়ার অনুপ্রেরণা যোগাবে। ফেসবুকে আমি

আরো পোস্ট দেখুন

comments