ই-কমার্স বিজনেসের জন্য ইউটিব মার্কেটিং

“Branoo E-Commerce Writing Competition”

branoo.com বর্তমান সময়ের সেরা ই-কমার্স সাইট গুলোর মধ্যে অন্যতম শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি অনেকদিন ধরে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ব্র্যান্ডের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বাজারজাত করে আসছে। গ্রাহকদের কাছে সুলভ মূল্যে সঠিক এবং গুণগত মানসম্পন্ন পন্য পৌঁছে দেয়াই branoo.com এর একমাত্র লক্ষ্য।

সবাইকে আবারও স্বাগতম জানাচ্ছি আমার ই-কমার্স বিষয়ক টিউনে।  আজ বলবো ই-কমার্স বিজনেসের জন্য ইউটিব মার্কেটিং নিয়ে। ইউটিব মার্কেটিং অনেক জনপ্রিয় হলেও, কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে যা ইউটিব মার্কেটিং করার পুর্বে জানা দরকার। তাই আমি আপনাদের জন্য এই টিউনের মাধ্যমে ইউটিব মার্কেটিং বিষয়ক কিছু গুরুতপুর্ন দিক নিয়ে আলোচনা করবো।

ই-কমার্স বিজনেসের জন্য ইউটিব মার্কেটিং অনেক জনপ্রিয়, তবে এতে কিছু সমস্যাও রয়েছে। তাই প্রথম অবস্থায় ইউটিব মার্কেটিং কিছুটা জটিলতা তৈরি করতে পারে। আর ইউটিব মার্কেটিং এর জটিলতার কারন হিসেবে ৩টি বিষয়কে দায়ী করা হয়।

১- অনেক ভিজিটর আছে যারা তাদের ওয়েব ব্রাউজারে অ্যাডব্লক ইউজ করে থাকে। শতকরা ২৩% ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর ওয়েব ব্রাউজারে অ্যাডব্লক টাইপের অ্যাডঅন্স ইন্সটল করা থাকে, যার ফলে তারা বিভিন্ন ইউটিব অ্যাড দেখতে পায় না।

২- ইউটিবে স্কিপ্যাবল ও ননস্কিপ্যাবল অ্যাড রয়েছে। স্কিপ্যাবল অ্যাড গুলো সাধারণত ৫ সেকেন্ড পরেই স্কিপ করে দেওয়া যায়। আর স্কিপ্যাবল অ্যাডের ৯৪% অ্যাডই স্কিপ করে দেয় ভিজিটররা।

৩- প্রতি ১ বিলিয়নে ৪.৬% বা ৪.৬২ মিলিয়ন ভিজিটর ইউটিবে প্রোডাক্ট মার্কেটিং দেখে ইন্টারেষ্টেড হয় না। কারন অনেকেই আছে যারা সরাসরি শপ থেকে প্রোডাক্ট কিনতে পছন্দ করে, এবং তারা এই অ্যাড দেখে মূলত প্রোডাক্টের প্রতি নেগেটিভ ধারনা তৈরি করে।

উপরোক্ত কারন গুলো থেকে আমরা জানতে পারি ইউটিব মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে ফিডব্যাক ১০০% পাওয়া অনেকটা অসম্ভব। তারপরও ইউটিব মার্কেটিং সঠিক ভাবে করতে পারলে, অনেক ভালো রিস্পন্স পাওয়া সম্ভব। এবার চলুন দেখেনেই কিভাবে ইউটিব মার্কেটিং করলে আপনার ই-কমার্স বিজনেসের জন্য ভালো রিসপন্স পেতে পারেন।

১- স্কিপ্যাবল অ্যাড যেহেতু ৫ সেকেন্ড অবশ্যই ভিজিটরকে দেখতে হবে, তাহলে আপনার অ্যাডটি এমন ভাবে তৈরি করুন যেন ৫ সেকেন্ডের মধ্যে ভিজিটর অ্যাডটি সম্পর্কে ধারনা লাভ করে। অ্যাডটি ক্রিয়েটিভ ভাবে তৈরি করুন যাতে ৫ সেকেন্ডের মধ্যে ভিজিটর আকর্ষিত হয়।

২- ইউটিব অ্যাড তৈরির ক্ষেত্রে এমন কিছু প্রোডাক্টকে তুলে ধরুন যে গুলা মার্কেটে ক্রেতাদের আকর্ষিত করেছে। আর অ্যাডের কথা গুলো অবশ্যই ভিজিটরদের জন্য আমন্ত্রণমূলক করুন।

৩- কিছু প্রোডাক্ট আছে যে গুলো যে কসমেটিক এর অ্যাডের ক্ষেত্রে আকর্ষিণীয় ছবি ব্যবহার করুন। পেমেন্টের মাধ্যমেই যেহেতু অ্যাড দিচ্ছেন তাই ভালো রিসপন্সের জন্য স্ট্যান্ডার কোয়ালিটির অ্যাড তৈরি করুন, যাতে করে সবার কাছে গ্রহণযোগ্যতা পায়।

৪- আপনার ই-কমার্স বিজনেসের প্রোডাক্টের উপর ভিত্তি করে একটা নিজেস্ব ইউটিব চ্যানেল থাকলে অনেক ভালো হয়। কারন সেক্ষেত্রে ইউটিব চ্যানেল ব্যবহার করে আপনার কম্পানির জন্য এক্সটেনশন ব্যবহার করতে পারবেন।

আজকের মত এই পর্যন্তই। পরবর্তী টিউনে ই-কমার্স সম্পৃক্ত আরও আলোচনা নিয়ে হাজির হবো। সেই পর্যন্ত ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন আর সোর্সটিউনের সাথে থাকুন। আর হ্যাঁ টিউন কেমন হয়েছে জানাতে ভুলবেন না, আপনাদের উৎসাহই আরও ভালো টিউন উপহার দেয়ার অনুপ্রেরণা যোগাবে। ফেসবুকে আমি

আরো পোস্ট দেখুন

comments