ইবোলা একটি মারাত্মক ছোঁয়াছে ভাইরাস, তবে এটি বাতাসে ছড়ায় না

ইবোলা ভাইরাসটি সর্বপ্রথম এসেছিল আফ্রিকার কঙ্গো উপত্যকার ইবোলা নামক একটি নদী থেকে।১৯৭৬ সালে সর্বপ্রথম পুরো বিশ্ববাসী এই ভাইরাস এর সাথে পরিচয় হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে,আফ্রিকাতে এক ধরনের বাদুর এই ভয়ঙ্কর ভাইরাস ছড়ায় বলে ধারণা করা হয়। এটি একটি মারাত্মক ছোঁয়াছে ভাইরাস। এটি আক্রান্ত মানুষের লালা,রক্ত,ও অন্যকিছু নিঃসরণের ফলে এক ব্যক্তি থেকে অন্য ব্যক্তির মাঝে ছড়িয়ে পড়ে। ইবোলা ভাইরাস এ আক্রান্ত রোগীর অন্যতম লক্ষণ হচ্ছে জ্বর ও রক্তপাত অর্থাৎ এক ধরনের হেমোরেজিক ফীভার।

ইবোলা2

প্রথমে হালকা জ্বর,কাশি, মাথাব্যথা,ইত্যাদি দেখা দেয় পরে সমস্যা বেশী হলে যকৃৎ ও কিডনি নষ্ট হতে পারে।বর্তমানে ইবোলার কোন চিকিৎসা আবিষ্কার হয় নি তবে এই ভাইরাসটির ভালো দিক হলো এটি বাতাসে ছড়ায় না। তাই রোগীর সংস্পর্শে না থাকলে এই ভাইরাস থেকে কিছুটা মুক্তি পাওয়া সম্ভব।রোগীর ব্যাবহার্য জিনিস ব্যাবহার এর ফলে এই রোগ বেশী ছড়ায়। তাই এই রোগে বেশীর ভাগ স্বাস্থ্যকর্মীরা বেশী আক্রান্ত হচ্ছেন।

ইবোলা1

ইবোলায় আক্রন্ত এলাকায় রোগীকে চিকিৎসা করার সময় মাস্ক ব্যাবহার করা,রোগীকে সম্পূর্ণ আলাদা রাখা ও রোগীর চিকিৎসার পর ভালভাবে হাত ধোয়া শিশু ও গর্ববতী নারীদের আলাদা জায়গায় রাখা ইত্যাদি করলে ইবোলা রোগের কিছুটা প্রতিকার পাওয়া যাবে।যারা বিমানে ভ্রমণ করছেন তারা অবশ্যই সতর্কভাবে যাতায়াত করা অত্যন্ত জরুরী।উল্লেখ্য যে বিজ্ঞানীরা এই মারাত্মক ভাইরাস থেকে বাচার জন্য গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছেন।

আরো পোস্ট দেখুন

comments